ছয় মাসের গর্ভবতী মায়ের খাবার তালিকা

ছয় মাসের গর্ভবতী মায়েদের খাদ্যের তালিকা এবং কোন কোন খাবারে কি কি পুষ্টিগুণ রয়েছে এবং এই সকল খাবার গুলো খেলে বাচ্চাদের কতটা কাজে লাগে সেই বিষয়ে এবারের আমাদের আয়োজনটি করা আপনারা এই সকল তথ্যগুলো আমাদের ওয়েবসাইটে পেয়ে যাবেন খুব সহজে।

বর্তমানে ডাক্তারের কাছে গেলে এ সকল খাদ্য তালিকা গুলো দিয়ে দেয় তবে অনেক সময় অনেকে বুঝতে পারে না যে কি কি খাদ্য খেতে বলেছে এবং কি কি খাবার থেকে দূরে থাকতে বলেছে তাই আমরা এবার আপনাদের জন্য এই আয়োজনটি করেছি। আপনাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কোন প্রয়োজন নেই খাদ্য তালিকা সংগ্রহের জন্য আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সকল তালিকা সংগ্রহ করতে পারবেন প্রেগন্যান্ট অবস্থায় কি কি খাবার প্রয়োজন এবং ছয় মাস থেকে আপনার বাচ্চা অনেকটা বড় হতে শুরু করে এবং তখন আপনার খাদ্যের পরিমাণটা কেমন হওয়া উচিত এবং কি কি খাওয়া উচিত সে সকল বিষয়ে তথ্য পাবেন আমাদের এখানে।

এই সকল বিষয়গুলো যখন ঘরে বসে জানতে পারবেন তখন আপনাকে ডাক্তারের কাছে যাবার কোন প্রয়োজন নেই হয়রানি হতে হবে না ঘরে বসে সকল তথ্য পাবেন এবং যেকোনো বিষয়ে জানার থাকলে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারেন।আবার আমরা আপনাদের সুবিধার জন্য এখানে কিছু গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তথ্য দিয়ে রেখেছি যে যেখান থেকে দেখছেন আমাদের এই লেখাগুলো তারা আমাদের এখান থেকে সংগ্রহ করতে পারেন গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এবং যেকোনো পরামর্শ প্রয়োজন পড়লে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন তাদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

ঘরে বসে এখন সকল তথ্য সংগ্রহ করা যায় ঘরে বসেই সকল তালিকা গ্রহণ করা যায় এবং এভাবে চলতে থাকলে দেখবেন যে আপনার বাচ্চার কোন ক্ষতি হচ্ছে না এবং সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে আপনার বাচ্চা। অনেক সময় অনেক মানুষ এসব বিষয়গুলো জানেনা এবং তারা না জেনে এমন কিছু খাদ্য খায় যেগুলোতে তার বাচ্চার গায়ে কোন পুষ্টির লাগে না এবং বাচ্চা অপুষ্ট জনিত ভাবে হয়। বাচ্চাকে যদি আপনি সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবে দুনিয়াতে আনতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে যত বেশি পুষ্টিকর খাবার খাবেন আপনার বাচ্চার গ্রোথ এবং আপনার বাচ্চা তত বেশি সুস্থ থাকবে।

আপনি যত বেশি পুষ্টি কর খাবার খাবেন আপনার বাচ্চা তত বড় হবে ওজন বাড়বে এবং আপনার বাচ্চা ভূপৃষ্ঠ হওয়ার পরেও তার রোদ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বেশি থাকবে।কিন্তু যে সকল মানুষরা বাচ্চা পেটে থাকতে ভালোমতো খাবার খায় না সঠিকভাবে নিয়মকানু মেনে চলেনা তাদের বাচ্চার অনেক ক্ষতি হয় যেমন তাদের বাচ্চা জন্মগ্রহণের পরে অপুষ্ট জনিত নানা রকম রোগের ভোগে আবার দেখা যায় অনেক সময় লো ওয়েট বেবিরা জন্মগ্রহণ করেন যারা বেশিদিন বেঁচে থাকতে পারে না বা তাদের অনেক বেশি কষ্ট হয় বেঁচে থাকতে। এসব বাচ্চাদের জন্মের পর থেকে ডাক্তারের কাছে রাখা হয় এবং ডাক্তারের অনেক চেষ্টার ফলে তারা বেঁচে থাকতে পারে।

সেজন্য গর্ভকালীন অবস্থায় অবশ্যই পুষ্টিকর সমিত খাবার খেতে হবে এবং আমরা যে সকল তালিকাগুলো দিয়েছি এই তালিকা গুলো মেইনটেইন করে আপনারা নিয়মিত খাদ্য খাবেন তাহলে দেখবেন যে আপনার বাচ্চা জন্মগ্রহণের পরে একেবারে সুস্থ রয়েছেন। প্রোটিন ভিটামিন আমিষ মিনারেলস এ সকল খাদ্যগুলো নিয়মিত অবশ্যই আপনাকে খেতে হবে কারণ এই খাদ্যগুলোই আপনার বাচ্চার পুষ্টি এবং ইমিউনিটি বৃদ্ধি করবে। আপনাকে নিয়মিত ফল খেতে হবে এবং ফলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে এর পাশাপাশি আপনাকে সবজি খেতে হবে যেন কোন রকম কন্সটিপেশনের সমস্যা আপনার না হয়।

গর্ভকালীন অবস্থায় আপনাকে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে স্বাভাবিকের তুলনায় আপনি ১ লিটারের বেশি পানি খেলেও সমস্যা নাই তবে আপনার অবশ্যই পানি পান করতে হবে।আপনি যদি সঠিক নিয়মে বা সঠিক সময়ে পানি পান না করেন তাহলে আপনার বাচ্চার পেটের ভেতরে পানি কম হয়ে যাবে যাতে অনেক বেশি সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই নিয়মিত খাদ্যের তালিকায় পানির পরিমাণটি সঠিক মাপে থাকা লাগবে তাহলে আপনার বাচ্চা সুস্থ ভাবে জন্মগ্রহণ করতে পারবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *